ডিজিটাল বাংলা ছবি ।

একটি ডিজিটাল বাংলা ছবির শেষ দৃশ্যঃ

-তুই আমার মায়ের পেন ড্রাইভ ফরম্যাট করেছিস … ইয়া ভীশুম!!
-তুই আমার বোন কে মিস কল দিয়েছিস … ইয়ুয়া ধিসুম ( নাকের উপর ঘুসি) !!!
-তুই আমার আব্বার ল্যাপটপ নষ্ট করেছিস আআআ… ধাম ( আছাড় মারার শব্দ )
-তুই আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করেছিস (ধুম ধাম) ???
আজকে তোকে আমি ডিলিট করেই ফেলব..

< এই সময় এনটি ভাইরাস এর আগমন ঘটবে >

এসেই এনটিভাইরাস বাহিনী বলবে “থামুন আইন
নিজের হাতে তুলে নিবেন না জনাব…

দাঁত তুলতে কিসের ভয়!

তানভীরের খুব দাঁতে ব্যথা। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললেন, দাঁত তুলতে হবে। শুনে তো ভয়েই তানভীরের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার যোগাড়। ও আবার এইসব অপারেশন খুব ভয় পায়। সব শুনে ডাক্তার বললেন, তাহলে আপনি এই ওষুধটা খেয়ে নিন, দেখবেন দাঁত তুলতে একদম ব্যথা পাবেন না। আর সাহসও যাবে বেড়ে।

শুনে তানভীরও খুব করে ওষুধটা খেয়ে নিলো। এবার ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, কি, এখন সাহস পাচ্ছেন তো?
- পাচ্ছি না মানে! এবার দেখি, কার এমন বুকের পাটা যে আমার দাঁত তুলতে আসে!

বোতামটাও সেলাই করে দেবেন!

ডাক্তার অপারেশ থিয়েটারে ঢুকেছেন, ছুরি-কাঁচি নিয়ে প্রস্তুত। এখনই রোগীকে অ্যানাসথেসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করে অপারেশন শুরু হবে। এমন অবস্থায় রোগী বলল, ডাক্তার সাহেব, আমার একটা কথা ছিল।

ডাক্তার বলল, বুঝেছি। অপারেশন করার সময় যাতে ব্যথা না দেই, সেজন্যেই তো। আপনি একদম চিন্তা করবেন না। আপনি টেরই পাবেন না কখন অপারেশন করলাম। একটু পরেই আপনি ঘুমিয়ে যাবেন, আর ঘুম থেকে উঠে দেখবেন, অপারেশন শেষ।

তখন রোগী বলে কি, আরে না না। সেটা তো জানিই। আসলে হয়েছে কি, সকালে হাসপাতালে আসার সময় হুড়োহুড়িতে আমার জামার একটা বোতাম ছিঁড়ে গেছে। তো, অপারেশন করার সময় যদি সেটাও সেলাই করে দিতেন, খুব ভালো হতো! 

আমি পেকে গেছি!

আলাল আর দুলাল দুই বন্ধু। একদিন ওরা ঠিক করলো, বনে ঘুরতে যাবে। তো দুজনে তো বনে গেলো ঘুরতে। সেখানে গিয়ে দেখে কি, একটা আম গাছ। আর তাতে পাকা পাকা সব আম ঝুলছে। দেখে তো আর ওরা লোভ সামলাতে পারলো না। আলাল তো তক্ষুণি প্যান্ট গুটিয়ে আম পাড়তে গাছে উঠে পড়লো। কিন্তু কপাল আরকি, হঠাৎ ও ডাল ভেঙে তাল হারিয়ে ধুপ করে নিচে পড়ে গেলো। আর কেমন দুষ্টু এই আলাল, পড়েই বলে কি, ‘আরে, আমি তো পেকে গেছি রে!’

বিল্ডিং যদি চুরি হয়!

দুই মাতাল এমন মদ খেয়েছে, ঠিকমতো হাঁটতেই পারছে না। তো এক বিল্ডিং দেখে এক মাতাল আরেক মাতালকে বলে কি, দেখ, কতো সুন্দর ওই বিল্ডিংটা! চল, ওটাকে ঠেলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। তো দুই মাতাল মিলে সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পরেই পরিশ্রমে ওদের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগলো। তখন ওরা ওদের জামা খুলে আবার সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো।

একটু পর এক চোর ব্যাপার-স্যাপার দেখে পিছন থেকে ওদের জামা নিয়ে চুপচাপ সরে পড়লো। একটু পর প্রথম মাতাল ওদের জামাগুলো নাই দেখে আরেক মাতালকে বললো-
: কিরে, আমাদের জামা গেলো কৈ?
: আরে, আমরা তো বিল্ডিংটাকে ঠেলতে ঠেলতে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি না!
: তাহলে চল, জামাদু’টো নিয়ে আসি। নইলে আবার চোরে চুরি করে নেবে।
: কিন্তু বিল্ডিংটা যতো সুন্দর! চোর যদি বিল্ডিংটাই চুরি করে নিয়ে যায়?
: আচ্ছা, তাহলে এক কাজ করা যাক। বিল্ডিংটা নিয়েই চল!

এবার দুই মাতাল মিলে বিল্ডিংটাকে উল্টো দিকে ঠেলতে লাগলো!

আকবরের ফোন নাম্বার!

ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

সফটওয়্যারের নাম বলো তো!

কম্পিউটার ক্লাশ চলছে। স্যার সবাইকে একটা একটা করে সফটওয়্যারের নাম বলতে বলল।
সাজ্জাদ প্রথমে দাঁড়িয়ে বলল, ‘এমএস ওয়ার্ড’।
তাই দেখে শোয়েব বলল, ‘এমএস এক্সেল’।
ফারহান আবার এতো কিছু বুঝে না। সবাইকে এমএস দিয়ে নাম বলতে দেখে ও দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার, এমএস ধোনি।’

সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে!

মিস্টার হোয়াইট বলে এক বৃটিশ ঘুরতে এসেছে বাংলাদেশে। আসার আগে তো সে সুন্দরবনের অনেক সুনাম শুনেছে। আর তাই বাংলাদেশে এসেই সে চলে গেলো সুন্দরবন বেড়াতে। ওখানে গিয়ে এক ট্রলার জুটিয়ে মজাসে সুন্দরবনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তো একবার তার নদীতে নামতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু সে আবার কুমির ভীষণ ভয় পায়। নামার আগে মাঝিকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা, পানিতে যে নামবো, কুমির-টুমির নেই তো?
মাঝিও কি আর কম চালাক। ঘষঘষ করে গাল চুলকোতে চুলকোতে বলল, নাঃ, কুমির-টুমিরের ভয় আর নাই। আপনি নিশ্চিন্তে নামতে পারেন। কয়েক বছর ধরে এখানে হাঙরের যেই উৎপাত! সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে! 

আলাদিনের প্রদীপ হারিয়েছে!

বাবু সজীবের কাছে গল্প করছিলো, ‘একবার হলো কি, আলাদিন ওর জাদুর প্রদীপটাই হারিয়ে ফেললো। এখন ও কি করবে বল তো?’
সজীবের তো মাথা চুলকোতে চুলকোতে চুল ওঠার উপক্রম। কিন্তু আলাদিন যে এখন কি করবে, কিচ্ছুই মাথায় আসছে না। শেষমেশ বাবুকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমি পারছি না। তুই-ই বল।’
বাবু হাত উল্টে বললো, ‘আরকি করবে! মোমবাতি দিয়ে কাজ চালিয়ে নেবে!’

ইংরেজি ও আরবি

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল" এর ইংরেজি কি হবে?

: এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
: আরবিটা পার � ঠিক আছে বল |
: ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

জনপ্রিয় জোকস

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More