হাসির বাক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হাসির বাক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

Gp internet ব্যাবহারকারী এক প্রেমিক এর গল্প

Gp internet ব্যাবহারকারী এক প্রেমিক এর গল্প-

মেয়েঃ হাই জান... !
ছেলেঃ হ্যালো বেইবি ..... (sending fails)

... মেয়েঃ কি হল? তুমি কি আছ?
ছেলেঃ হ্যা... আছি আছি... (sending fails)

মেয়েঃ কি বেপার? তুমি আমাকে avoid করতেছ??
ছেলেঃ আরে না!! কি বল! আমি আছি তো... (Sending fails)

মেয়েঃ ওকে ফাইন! তুমি আর আমার সাথে কথা বলবা না
ছেলেঃ শালা.....* MASSAGE SENT SUCCESSFULLY!!*

জিপির বাচ্চা .....(sending fails)

জাহান্নামে গিয়া মর!......*MASSAGE SENT SUCCESSFULLY!!!* ...

আমি তোর বিয়ের পর তোর বউ রে লইয়া সিনেমা দেখতেযামু রাগ করবিনা তো দোস্ত???

১ম বন্ধুঃআমি তোর বিয়ের পর তোর বউ রে লইয়া সিনেমা দেখতেযামু রাগ করবিনা তো দোস্ত???
•
•
•
•
•
•
•
•
•
•
২য় বন্ধুঃ আমার বিয়া তোর বইন এর সাথে করাইয়া দে তাইলে আর রাগ করমুনা।

নকল বন্ধু<আসল বন্ধু


#নকল বন্ধু- কখনো আপনার কাছে খাইতে চাইবে না
#আসল বন্ধু-আপনার খাবার না থাকার কারন হবে :) :P

#নকল বন্ধু- কখনো আপনার কান্না দেখবেনা
#আসল বন্ধু-আপনার সাথে কাদবে

#নকল বন্ধু- আপনার কাছ থেকে কিছু নেবে আর ফিরিয়ে দিবে 8-|
#আসল বন্ধু-আপনার জিনিষ নিজের মনে করে রেখে দিবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার মনে হবেনা যে এইটা আপনার

#নকল বন্ধু- আপনার সম্পর্কে খুব কম কিছু জানে :/
#আসল বন্ধু-আপনার সম্পর্কে বই লিখে ফেলতে পারবে

#নকল বন্ধু- আপনার ঘরে এসে নক করবে
#আসল বন্ধু-এমনিতে ঘরে ঢুকে যাবে আর বলবে চইলা আইছি দোস্ত

#নকল বন্ধুঃকিছু সময় এর জন্য
#আসল বন্ধুঃচির জীবনের জন্য

দাঁত তুলতে কিসের ভয়!

তানভীরের খুব দাঁতে ব্যথা। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললেন, দাঁত তুলতে হবে। শুনে তো ভয়েই তানভীরের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার যোগাড়। ও আবার এইসব অপারেশন খুব ভয় পায়। সব শুনে ডাক্তার বললেন, তাহলে আপনি এই ওষুধটা খেয়ে নিন, দেখবেন দাঁত তুলতে একদম ব্যথা পাবেন না। আর সাহসও যাবে বেড়ে।

শুনে তানভীরও খুব করে ওষুধটা খেয়ে নিলো। এবার ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, কি, এখন সাহস পাচ্ছেন তো?
- পাচ্ছি না মানে! এবার দেখি, কার এমন বুকের পাটা যে আমার দাঁত তুলতে আসে!

বোতামটাও সেলাই করে দেবেন!

ডাক্তার অপারেশ থিয়েটারে ঢুকেছেন, ছুরি-কাঁচি নিয়ে প্রস্তুত। এখনই রোগীকে অ্যানাসথেসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করে অপারেশন শুরু হবে। এমন অবস্থায় রোগী বলল, ডাক্তার সাহেব, আমার একটা কথা ছিল।

ডাক্তার বলল, বুঝেছি। অপারেশন করার সময় যাতে ব্যথা না দেই, সেজন্যেই তো। আপনি একদম চিন্তা করবেন না। আপনি টেরই পাবেন না কখন অপারেশন করলাম। একটু পরেই আপনি ঘুমিয়ে যাবেন, আর ঘুম থেকে উঠে দেখবেন, অপারেশন শেষ।

তখন রোগী বলে কি, আরে না না। সেটা তো জানিই। আসলে হয়েছে কি, সকালে হাসপাতালে আসার সময় হুড়োহুড়িতে আমার জামার একটা বোতাম ছিঁড়ে গেছে। তো, অপারেশন করার সময় যদি সেটাও সেলাই করে দিতেন, খুব ভালো হতো! 

আমি পেকে গেছি!

আলাল আর দুলাল দুই বন্ধু। একদিন ওরা ঠিক করলো, বনে ঘুরতে যাবে। তো দুজনে তো বনে গেলো ঘুরতে। সেখানে গিয়ে দেখে কি, একটা আম গাছ। আর তাতে পাকা পাকা সব আম ঝুলছে। দেখে তো আর ওরা লোভ সামলাতে পারলো না। আলাল তো তক্ষুণি প্যান্ট গুটিয়ে আম পাড়তে গাছে উঠে পড়লো। কিন্তু কপাল আরকি, হঠাৎ ও ডাল ভেঙে তাল হারিয়ে ধুপ করে নিচে পড়ে গেলো। আর কেমন দুষ্টু এই আলাল, পড়েই বলে কি, ‘আরে, আমি তো পেকে গেছি রে!’

বিল্ডিং যদি চুরি হয়!

দুই মাতাল এমন মদ খেয়েছে, ঠিকমতো হাঁটতেই পারছে না। তো এক বিল্ডিং দেখে এক মাতাল আরেক মাতালকে বলে কি, দেখ, কতো সুন্দর ওই বিল্ডিংটা! চল, ওটাকে ঠেলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। তো দুই মাতাল মিলে সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পরেই পরিশ্রমে ওদের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগলো। তখন ওরা ওদের জামা খুলে আবার সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো।

একটু পর এক চোর ব্যাপার-স্যাপার দেখে পিছন থেকে ওদের জামা নিয়ে চুপচাপ সরে পড়লো। একটু পর প্রথম মাতাল ওদের জামাগুলো নাই দেখে আরেক মাতালকে বললো-
: কিরে, আমাদের জামা গেলো কৈ?
: আরে, আমরা তো বিল্ডিংটাকে ঠেলতে ঠেলতে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি না!
: তাহলে চল, জামাদু’টো নিয়ে আসি। নইলে আবার চোরে চুরি করে নেবে।
: কিন্তু বিল্ডিংটা যতো সুন্দর! চোর যদি বিল্ডিংটাই চুরি করে নিয়ে যায়?
: আচ্ছা, তাহলে এক কাজ করা যাক। বিল্ডিংটা নিয়েই চল!

এবার দুই মাতাল মিলে বিল্ডিংটাকে উল্টো দিকে ঠেলতে লাগলো!

আকবরের ফোন নাম্বার!

ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে!

মিস্টার হোয়াইট বলে এক বৃটিশ ঘুরতে এসেছে বাংলাদেশে। আসার আগে তো সে সুন্দরবনের অনেক সুনাম শুনেছে। আর তাই বাংলাদেশে এসেই সে চলে গেলো সুন্দরবন বেড়াতে। ওখানে গিয়ে এক ট্রলার জুটিয়ে মজাসে সুন্দরবনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তো একবার তার নদীতে নামতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু সে আবার কুমির ভীষণ ভয় পায়। নামার আগে মাঝিকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা, পানিতে যে নামবো, কুমির-টুমির নেই তো?
মাঝিও কি আর কম চালাক। ঘষঘষ করে গাল চুলকোতে চুলকোতে বলল, নাঃ, কুমির-টুমিরের ভয় আর নাই। আপনি নিশ্চিন্তে নামতে পারেন। কয়েক বছর ধরে এখানে হাঙরের যেই উৎপাত! সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে! 

আলাদিনের প্রদীপ হারিয়েছে!

বাবু সজীবের কাছে গল্প করছিলো, ‘একবার হলো কি, আলাদিন ওর জাদুর প্রদীপটাই হারিয়ে ফেললো। এখন ও কি করবে বল তো?’
সজীবের তো মাথা চুলকোতে চুলকোতে চুল ওঠার উপক্রম। কিন্তু আলাদিন যে এখন কি করবে, কিচ্ছুই মাথায় আসছে না। শেষমেশ বাবুকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমি পারছি না। তুই-ই বল।’
বাবু হাত উল্টে বললো, ‘আরকি করবে! মোমবাতি দিয়ে কাজ চালিয়ে নেবে!’

ইংরেজি ও আরবি

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল" এর ইংরেজি কি হবে?

: এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
: আরবিটা পার � ঠিক আছে বল |
: ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

বিয়ের আগে চুমু

স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম | সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো |
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি |

ভালোবাসার পরীক্ষা

প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?

জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না |

চাঁদ ও সমস্যা

প্রশ্ন: চাঁদে একজন রাজাকার | এর মানে কী?
উত্তর: সমস্যা |

প্রশ্ন: চাঁদে দু’জন রাজাকার |এর মানে কী?
উত্তর: মহা সমস্যা |
প্রশ্ন: গোটা রাজাকার সমাজ চাঁদে | এর মানে কী?
উত্তর: পৃথিবীতে সমস্যার সমাধান!

ডাক্তারের ফি

১ম বন্ধু : ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলি?
২য় বন্ধু : গিয়েছিলাম।
১ম বন্ধু :তোর বুকে যা ছিলো খুঁজে পেয়েছেন?
২য় বন্ধু : প্রায় সবটাই।
১ম বন্ধু : মানে?
২য় বন্ধু : মানে আমার বুকপকেটে ছিল ১০১ টাকা। 

খালি ট্যাক্সি

কর্তা : যা তো ক্যাবলা, একটি খালি ট্যাক্সি নিয়ে আয় |
কিছুক্ষণ পর ক্যাবলা এসে বলল, স্যার,একটাও খালি ট্যাক্সি পেলাম না , ড্রাইভারের সিটে কেউ না কেউ বসে আছে |

আমার ডিম

ক্রেতা : এগুলো কার ডিম?
বিক্রেতা : আমার ডিম |
ক্রেতা : আমি মনে করেছিলাম মুরগির ডিম |

রাতের অন্ধকার

প্রথমজন : রাত্রে বেলা আমরা সুর্য দেখি না কেন?
দ্বিতীয়জন : দেখবি কীভাবে! রাত্রে যে রকম অন্ধকার থাকে, তাতে কি সুর্য দেখা যায়!

পয়সা থেকে টাকা

ছেলে : বাবা আমার ধারণা, কাল থেকে আমরা অনেক বড়লোক হয়ে যাব |
বাবা : কীভাবে?
ছেলে : আগামীকাল আমাদের অংকের স্যার, কীভাবে পয়সাকে টাকা বানাতে হয় তা শেখাবে |

আমারে ছেড়ে দ্যান আমি ছাত্র

ছাত্র: স্যার আমারে ছেড়ে দ্যান আমি ছাত্র
পুলিশ: তুই কি লাইসেন্স ছাড়া মটরসাইকেল চালাস?
…
…ছাত্র: না স্যার!
পুলিশ: সুন্দরী মেয়ে দেখলেই খাতির জমানির চেষ্টা করস?
……
ছাত্র: না স্যার!

পুলিশ: ক্যাফেটেরিয়ায় বইসা ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা মারস?

ছাত্র: না স্যার!

পুলিশ: ব্যাটা হাঁদারাম আমারে বোকা পাইছোস!! তাইলে তুই কিসের ছাত্র?

জনপ্রিয় জোকস

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More