ফেসবুকে u এর হেব্বি ডিমান্ড! নানা ভাবে, নানা রঙ্গে, নানা ঢঙ্গে u এর ব্যাবহার হয়। দেখে কি বলবেন?

1.ur pic ta onek smart
2.u kmn acho?
3.u very chalak.
4.u k onek din dekhina.
5.u onek valo status dite paro.
6.u onek dustu !
7.u ki online e acho?
8.u fb te eto kom aso kno?
9.u 1ta stupid !
10.u etto kotha bolo kno !

Gp internet ব্যাবহারকারী এক প্রেমিক এর গল্প

Gp internet ব্যাবহারকারী এক প্রেমিক এর গল্প-

মেয়েঃ হাই জান... !
ছেলেঃ হ্যালো বেইবি ..... (sending fails)

... মেয়েঃ কি হল? তুমি কি আছ?
ছেলেঃ হ্যা... আছি আছি... (sending fails)

মেয়েঃ কি বেপার? তুমি আমাকে avoid করতেছ??
ছেলেঃ আরে না!! কি বল! আমি আছি তো... (Sending fails)

মেয়েঃ ওকে ফাইন! তুমি আর আমার সাথে কথা বলবা না
ছেলেঃ শালা.....* MASSAGE SENT SUCCESSFULLY!!*

জিপির বাচ্চা .....(sending fails)

জাহান্নামে গিয়া মর!......*MASSAGE SENT SUCCESSFULLY!!!* ...

আমি তোর বিয়ের পর তোর বউ রে লইয়া সিনেমা দেখতেযামু রাগ করবিনা তো দোস্ত???

১ম বন্ধুঃআমি তোর বিয়ের পর তোর বউ রে লইয়া সিনেমা দেখতেযামু রাগ করবিনা তো দোস্ত???
•
•
•
•
•
•
•
•
•
•
২য় বন্ধুঃ আমার বিয়া তোর বইন এর সাথে করাইয়া দে তাইলে আর রাগ করমুনা।

যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে

ছোট্ট বাবুদের ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।

ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, 'কে লিখেছে এটা?'

কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, 'কে লিখেছে এটা?'

কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা। মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।

তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।

তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

কিভাবে ঠিকমতো বাতাস করতে হয়?

বুড়ো রিয়াদ সাহেব বিয়ে করেছেন এক কচি মেয়েকে। কিন্তু কয়েক হপ্তা পর দেখা গেলো, বিছানায় যত কায়দা কানুনই তিনি করেন না কেন, বউ বেচারির রাগমোচন হচ্ছে না।

রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তিনি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে রায় দিলেন। "এক কাজ করুন। ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। আপনারা যখন ঐসব করবেন, ছোকরা ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে আপনাদের বাতাস করবে।"

ডাক্তারের কথা কী আর ফেলা যায়? রিয়াদ সাহেব এক ষন্ডামতো ছোকরাকে ভাড়া করে বাড়ি নিয়ে গেলেন। ডাক্তারের নির্দেশমতো কাজ করেও কোন ফল পাওয়া গেলো না। চটেমটে রিয়াদ সাহেব আবার ডাক্তারের চেম্বারে হানা দিলেন।

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে আবারও রায় দিলেন। "এক কাজ করুন। এবার উল্টো ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। এবার ছোকরা আপনার স্ত্রীর সাথে যখন ঐসব করবে, আপনি ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে ওদের বাতাস করবেন।"

মরিয়া রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তথাস্তু।

এবার একেবারে হাতেনাতে ফল পাওয়া গেলো। রিয়াদ সাহেবের বউ এক উথালপাথাল রাগমোচন লাভ করলেন।

উল্লসিত রিয়াদ সাহেব ষন্ডা ছোকরার কাঁধে টোকা দিয়ে বললেন, "এবার বুঝেছো তো ছোকরা, কিভাবে ঠিকমতো বাতাস করতে হয়?" 

'ওগো, থামো, আর না ...।'

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।

ফরাসী বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'

ইতালীয় বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, 'তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক'বার আদরসোহাগ করেছো?

বাঙালি বললো, 'একবার।'

ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, 'তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?'

'ওগো, থামো, আর না ...।' 

রাতের বেলা

নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন?

: স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই |
: কেন, এমন কথা বলছিস কেন?
: বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধৃ রাতের বেলাই খুজে পায় |

নকল বন্ধু<আসল বন্ধু


#নকল বন্ধু- কখনো আপনার কাছে খাইতে চাইবে না
#আসল বন্ধু-আপনার খাবার না থাকার কারন হবে :) :P

#নকল বন্ধু- কখনো আপনার কান্না দেখবেনা
#আসল বন্ধু-আপনার সাথে কাদবে

#নকল বন্ধু- আপনার কাছ থেকে কিছু নেবে আর ফিরিয়ে দিবে 8-|
#আসল বন্ধু-আপনার জিনিষ নিজের মনে করে রেখে দিবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার মনে হবেনা যে এইটা আপনার

#নকল বন্ধু- আপনার সম্পর্কে খুব কম কিছু জানে :/
#আসল বন্ধু-আপনার সম্পর্কে বই লিখে ফেলতে পারবে

#নকল বন্ধু- আপনার ঘরে এসে নক করবে
#আসল বন্ধু-এমনিতে ঘরে ঢুকে যাবে আর বলবে চইলা আইছি দোস্ত

#নকল বন্ধুঃকিছু সময় এর জন্য
#আসল বন্ধুঃচির জীবনের জন্য

কনডম


স্ত্রীঃ বল তো, সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও ক্ষনস্থায়ী পোশাক কোনটি ?

স্বামীঃ কনডম !!

স্ত্রী জন্য পরীক্ষা

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে |
সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি |
যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল |
পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো,
ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো,
তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি,
লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে |
বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল |
ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে |
সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো,
এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই |

ডিজিটাল বাংলা ছবি ।

একটি ডিজিটাল বাংলা ছবির শেষ দৃশ্যঃ

-তুই আমার মায়ের পেন ড্রাইভ ফরম্যাট করেছিস … ইয়া ভীশুম!!
-তুই আমার বোন কে মিস কল দিয়েছিস … ইয়ুয়া ধিসুম ( নাকের উপর ঘুসি) !!!
-তুই আমার আব্বার ল্যাপটপ নষ্ট করেছিস আআআ… ধাম ( আছাড় মারার শব্দ )
-তুই আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করেছিস (ধুম ধাম) ???
আজকে তোকে আমি ডিলিট করেই ফেলব..

< এই সময় এনটি ভাইরাস এর আগমন ঘটবে >

এসেই এনটিভাইরাস বাহিনী বলবে “থামুন আইন
নিজের হাতে তুলে নিবেন না জনাব…

দাঁত তুলতে কিসের ভয়!

তানভীরের খুব দাঁতে ব্যথা। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললেন, দাঁত তুলতে হবে। শুনে তো ভয়েই তানভীরের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার যোগাড়। ও আবার এইসব অপারেশন খুব ভয় পায়। সব শুনে ডাক্তার বললেন, তাহলে আপনি এই ওষুধটা খেয়ে নিন, দেখবেন দাঁত তুলতে একদম ব্যথা পাবেন না। আর সাহসও যাবে বেড়ে।

শুনে তানভীরও খুব করে ওষুধটা খেয়ে নিলো। এবার ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, কি, এখন সাহস পাচ্ছেন তো?
- পাচ্ছি না মানে! এবার দেখি, কার এমন বুকের পাটা যে আমার দাঁত তুলতে আসে!

বোতামটাও সেলাই করে দেবেন!

ডাক্তার অপারেশ থিয়েটারে ঢুকেছেন, ছুরি-কাঁচি নিয়ে প্রস্তুত। এখনই রোগীকে অ্যানাসথেসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করে অপারেশন শুরু হবে। এমন অবস্থায় রোগী বলল, ডাক্তার সাহেব, আমার একটা কথা ছিল।

ডাক্তার বলল, বুঝেছি। অপারেশন করার সময় যাতে ব্যথা না দেই, সেজন্যেই তো। আপনি একদম চিন্তা করবেন না। আপনি টেরই পাবেন না কখন অপারেশন করলাম। একটু পরেই আপনি ঘুমিয়ে যাবেন, আর ঘুম থেকে উঠে দেখবেন, অপারেশন শেষ।

তখন রোগী বলে কি, আরে না না। সেটা তো জানিই। আসলে হয়েছে কি, সকালে হাসপাতালে আসার সময় হুড়োহুড়িতে আমার জামার একটা বোতাম ছিঁড়ে গেছে। তো, অপারেশন করার সময় যদি সেটাও সেলাই করে দিতেন, খুব ভালো হতো! 

আমি পেকে গেছি!

আলাল আর দুলাল দুই বন্ধু। একদিন ওরা ঠিক করলো, বনে ঘুরতে যাবে। তো দুজনে তো বনে গেলো ঘুরতে। সেখানে গিয়ে দেখে কি, একটা আম গাছ। আর তাতে পাকা পাকা সব আম ঝুলছে। দেখে তো আর ওরা লোভ সামলাতে পারলো না। আলাল তো তক্ষুণি প্যান্ট গুটিয়ে আম পাড়তে গাছে উঠে পড়লো। কিন্তু কপাল আরকি, হঠাৎ ও ডাল ভেঙে তাল হারিয়ে ধুপ করে নিচে পড়ে গেলো। আর কেমন দুষ্টু এই আলাল, পড়েই বলে কি, ‘আরে, আমি তো পেকে গেছি রে!’

বিল্ডিং যদি চুরি হয়!

দুই মাতাল এমন মদ খেয়েছে, ঠিকমতো হাঁটতেই পারছে না। তো এক বিল্ডিং দেখে এক মাতাল আরেক মাতালকে বলে কি, দেখ, কতো সুন্দর ওই বিল্ডিংটা! চল, ওটাকে ঠেলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। তো দুই মাতাল মিলে সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পরেই পরিশ্রমে ওদের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগলো। তখন ওরা ওদের জামা খুলে আবার সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো।

একটু পর এক চোর ব্যাপার-স্যাপার দেখে পিছন থেকে ওদের জামা নিয়ে চুপচাপ সরে পড়লো। একটু পর প্রথম মাতাল ওদের জামাগুলো নাই দেখে আরেক মাতালকে বললো-
: কিরে, আমাদের জামা গেলো কৈ?
: আরে, আমরা তো বিল্ডিংটাকে ঠেলতে ঠেলতে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি না!
: তাহলে চল, জামাদু’টো নিয়ে আসি। নইলে আবার চোরে চুরি করে নেবে।
: কিন্তু বিল্ডিংটা যতো সুন্দর! চোর যদি বিল্ডিংটাই চুরি করে নিয়ে যায়?
: আচ্ছা, তাহলে এক কাজ করা যাক। বিল্ডিংটা নিয়েই চল!

এবার দুই মাতাল মিলে বিল্ডিংটাকে উল্টো দিকে ঠেলতে লাগলো!

আকবরের ফোন নাম্বার!

ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

সফটওয়্যারের নাম বলো তো!

কম্পিউটার ক্লাশ চলছে। স্যার সবাইকে একটা একটা করে সফটওয়্যারের নাম বলতে বলল।
সাজ্জাদ প্রথমে দাঁড়িয়ে বলল, ‘এমএস ওয়ার্ড’।
তাই দেখে শোয়েব বলল, ‘এমএস এক্সেল’।
ফারহান আবার এতো কিছু বুঝে না। সবাইকে এমএস দিয়ে নাম বলতে দেখে ও দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার, এমএস ধোনি।’

সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে!

মিস্টার হোয়াইট বলে এক বৃটিশ ঘুরতে এসেছে বাংলাদেশে। আসার আগে তো সে সুন্দরবনের অনেক সুনাম শুনেছে। আর তাই বাংলাদেশে এসেই সে চলে গেলো সুন্দরবন বেড়াতে। ওখানে গিয়ে এক ট্রলার জুটিয়ে মজাসে সুন্দরবনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তো একবার তার নদীতে নামতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু সে আবার কুমির ভীষণ ভয় পায়। নামার আগে মাঝিকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা, পানিতে যে নামবো, কুমির-টুমির নেই তো?
মাঝিও কি আর কম চালাক। ঘষঘষ করে গাল চুলকোতে চুলকোতে বলল, নাঃ, কুমির-টুমিরের ভয় আর নাই। আপনি নিশ্চিন্তে নামতে পারেন। কয়েক বছর ধরে এখানে হাঙরের যেই উৎপাত! সব কুমিরকে হাঙরে খেয়ে ফেলেছে! 

আলাদিনের প্রদীপ হারিয়েছে!

বাবু সজীবের কাছে গল্প করছিলো, ‘একবার হলো কি, আলাদিন ওর জাদুর প্রদীপটাই হারিয়ে ফেললো। এখন ও কি করবে বল তো?’
সজীবের তো মাথা চুলকোতে চুলকোতে চুল ওঠার উপক্রম। কিন্তু আলাদিন যে এখন কি করবে, কিচ্ছুই মাথায় আসছে না। শেষমেশ বাবুকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমি পারছি না। তুই-ই বল।’
বাবু হাত উল্টে বললো, ‘আরকি করবে! মোমবাতি দিয়ে কাজ চালিয়ে নেবে!’

ইংরেজি ও আরবি

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল" এর ইংরেজি কি হবে?

: এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
: আরবিটা পার � ঠিক আছে বল |
: ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

জনপ্রিয় জোকস

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More